শিক্ষক শিক্ষিকাদের স্কুলে ঢোকার সময় নিয়ে নয়া নির্দেশিকা

26th December 2023 8:37 am Country News
শিক্ষক শিক্ষিকাদের স্কুলে ঢোকার সময় নিয়ে নয়া নির্দেশিকা


শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্কুলে ঢোকার সময় পরিবর্তন। এবার থেকে আরও আগে ঢুকতে হবে স্কুলে। শুক্রবার ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্কুলে ঢোকার নতুন নির্দেশিকা জারি করা হল। প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকের সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত-সব বোর্ডের আওতাধীন স্কুলগুলিকে এই নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রধান থেকে সমস্ত শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের প্রার্থনায় থাকতে হবে।১০টা ৪০ থেকে ১০টা ৫০ পর্যন্ত প্রার্থনা চলবে। ১০টা ৪০-এর পর এলে ‘লেট মার্ক’ হবে ও ১১টা ১৫ মিনিটের পর স্কুলে এলে ‘অনুপস্থিত’ ধরা হবে। এতদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের মধ্যে ঢুকতে হত। নতুন শিক্ষাবর্ষে সেই সময় আরও ১০ মিনিট এগিয়ে আনা হল।শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত থাকতে হবে। ছুটি নিলে আগাম তা জানাতে হবে। কে, কতক্ষণ, কতগুলি ক্লাস নিচ্ছেন তা একটি ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে। প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা তা নজরে রাখবেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।