কিউআর কোড স্ক্যান করেই এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে, নতুন বছরে নতুন নিয়ম রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের

2nd January 2024 10:31 am Country News
কিউআর কোড স্ক্যান করেই এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে, নতুন বছরে নতুন নিয়ম রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের


ডিজিটাল পেমেন্টের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল ইউপিআই। টাকা পাঠানো, কেনাকাটা করা, ফোনের রিচার্জ কিংবা বিদ্যুতের বিল দেওয়া— সর্বত্রই এখন ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ‘ইউপিআই’-এর মাধ্যমে লেনদেন বাড়ছে। নিজের ফোন থেকে গ্রাহকের ফোনের ইউপিআই কোড স্ক্যান করে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া তুলনায় সহজ। আবার এ কারণেই এ ক্ষেত্রে প্রতারণার সম্ভাবনাও বেশি। নিরাপত্তা বাড়িয়ে তুলতে ইউপিআই পেমেন্ট-এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চলেছে ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে।

এক ঝলকে দেখে নিন, ইউপিআই পেমেন্ট-এর ক্ষেত্রে কী কী পরিবর্তন আসতে চলেছে

 

১) ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা ইউপিআই আইডিগুলি ব্লক করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে গোটা বছর ধরে যাঁরা গুগ্‌ল পে, ফোন পে এবং পেটিএম-এর মতো ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবহার করেননি, তাঁরা ওই পুরনো আইডি দিয়ে নতুন বছরে আর কোনও লেনদেন করতে পারবেন না।

২) ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। যদিও গত ডিসেম্বর মাসেই ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক স্বাস্থ্য এবং পড়াশোনা খাতে ইউপিআই ব্যবহার করার জন্য টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করেছে।

 

৩) ২০০০ বা তার অধিক অঙ্কের টাকা লেনদেনে ১.১ শতাংশ কর ধার্য করার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। প্রিপেড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট বা অনলাইন ওয়ালেটে টাকা লেনদেনের এই ফি চালু হবে নতুন বছরেই।

 

৪) খুব শীঘ্রই ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক, দেশ জুড়ে ইউপিআই এটিএম খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই বিশেষ এটিএমগুলি থেকে টাকা তুলতে গেলে ক্রেডিট কিংবা ডেবিট কার্ড লাগবে না। ফোনের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।