ছুটির দিনে মাংস-ভাত নয়, স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন মটন তেহারি রইল রেসিপি

4th February 2024 11:21 pm Country News
ছুটির দিনে মাংস-ভাত নয়, স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন মটন তেহারি রইল রেসিপি


যখন বাড়ির বাইরে বেরোলেই বিরিয়ানির দোকান চোখে পড়ে। বড় রেস্তরাঁ হোক কিংবা পাড়ার দোকান, মেনুতে আর কিছু থাকুক না থাকুক, বিরিয়ানি কিন্তু থাকবেই। তবে মাঝেমাঝে স্বাদবদল করতে ইচ্ছে হয় বইকি। ছুটির দিনে বাড়িতে বিরিয়ানি না বানিয়ে, রেঁধে ফেলতে পারেন মটন তেহারি। রইল রেসিপি।উপকরণ

গোবিন্দভোগ চাল: ৩০০ গ্রামপাঁঠার মাংস: ৫০০ গ্রাম

সরষের তেল: ৫-৬ টেবিল চামচ

ঘি: পরিমাণ মতো

জায়ফল গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ

জয়িত্রী গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ

কেওড়ার জল: ১ টেবিল চামচ

গোলাপজল: ১ টেবিল চামচ

গরম মশলা: এক চিমটি

পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ

আদা ও রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চা চামচ

দই: আধ কাপ

বেরেস্তা: ৫ টেবিল চামচ

খোয়া ক্ষীর: ১০০ গ্রাম

নুন: স্বাদমতো

প্রণালী:

কড়াইতে সরষের তেল ও ঘি সমান পরিমাণে নিন। এর পর পেঁয়াজ হালকা করে ভেজে নিয়‌ে তার মধ্যে আদা, রসুন বাটা দিন। খানিক ক্ষণ নাড়াচাড়া করে মাংসের টুকরোগুলি আর নুন দিয়ে কষিয়ে নিন। তার পর একে একে দই, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, জায়ফল গুঁড়ো, জয়িত্রী গুঁড়ো দিয়ে মাংস ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। অন্য দিকে, গোবিন্দভোগ চালে কাঁচা লঙ্কা, নুন, তেজপাতা আর অল্প পরিমাণ জল দিয়ে ভাত বসান, যখন ভাত ৭০-৮০ শতাংশ হয়ে যাবে, তখন তাতে মাংস দিয়ে সঙ্গে কেওড়ার জল, গোলাপজল, জয়িত্রী গুঁড়ো, বেরেস্তা, খোয়া ক্ষীর দিয়ে দমে দিয়ে দিন। এ ভাবে ৫-৬ মিনিট দমে থাকার পর তৈরি হয়ে যাবে মটন তেহারি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।