কেরলের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে মাম্পস, এই রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচার উপায় কী?

14th March 2024 8:06 am Country News
কেরলের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে মাম্পস, এই রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচার উপায় কী?


প্রতি বছরই আবহাওয়া বদলের সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা রকম সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়। তবে, এ বছর দক্ষিণের রাজ্য কেরলে মাম্পস প্রায় মহামারির আকার নিয়েছে। প্রায় প্রতিটি ঘরেই আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এক মাসে প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজ়িজ় কন্ট্রোল সে রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সেই একই রোগে কিন্তু এই রাজ্যের শিশুরাও আক্রান্ত হতে পারে। তাই মাম্পসের মতো সংক্রামক ব্যাধিকে ভয় না পেয়ে কিছু বিষয় জেনে রাখা জরুরি।

মাম্পস কী?

 

করোনার মতোই সংক্রামক, ভাইরাস বাহিত একটি রোগ হল মাম্পস। রুবেলা গোত্রের অন্তর্গত একটি ভাইরাস হল প্যারামিক্সো। যার আক্রমণে মাম্পস হয়। প্রথমে একেবারেই সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তার পর গাল, কানের পাশ ফুলতে থাকে। প্রবল যন্ত্রণা হয়।

দ্রুত মাম্পস ছড়িয়ে পড়ছে কেন?

 

মাম্পস কিন্তু ছোঁয়াচে। বাড়ির কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে তাঁর থাকা, খাওয়ার আলাদা ব্যবস্থা করাই শ্রেয়। যাঁদের বাড়িতে তেমন জায়গার অভাব রয়েছে, সেখানে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। সঠিক সময়ে মিজ়ল্স, মাম্পস এবং রুবেলার টিকা না নিলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দ্বিগুণ হয়ে যায়। তা ছাড়া যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারেই দুর্বল, তাঁরাও চট করে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

কোন কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

 

চিকিৎসকেরা বলছেন, কানের নীচে প্যারোটিড গ্ল্যান্ড ফুলে লাল হয়ে গেলে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে। তা ছাড়া মাম্পস হলে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে যন্ত্রণা, ক্লান্তি, খাবারে অনীহা দেখা দিতে পারে। খাবার গিলতে, চিবোতেও সমস্যা হতে পারে। জল বা তরল খাবার খেতেও কারও কারও সমস্যা হতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।