দেওয়ালে লাগানো যায় কুলারও AC র অর্ধেক দামেই ঘর হবে আলাস্কা

22nd April 2024 9:20 pm Country News
 দেওয়ালে লাগানো যায় কুলারও AC র অর্ধেক দামেই ঘর হবে আলাস্কা


যাগরম পড়েছে, তাতে দু'মিনিট বাইরে পা রাখা দায়। তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে দুপুর বেলায় যথাসম্ভব বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এদিকে, বাড়িতে থাকলেই সারাক্ষণ চলছে এসি। তার জেরে চড়চড়িয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের বিল।তবে সকলের পক্ষে এসি কেনা সম্ভব নয়। তাদের কাছে কি বিকল্প বলতে শুধু ফ্যান?একদমই নয়। তারা কিনতে পারেন এয়ার কুলার।এবার আপনারা বলতেই পারেন যে কুলার রাখার সমস্যা। স্প্লিট এসি যেমন দেওয়ালে লাগানো যায়, সেখানেই কুলার ঘরের এক কোণে রাখতে হবে। তবে সেই দিন এখন অতীত। এখন এমন কুলারও এসেছে, যা দেওয়ালে লাগানো যায়।এই ধরনের কুলারকে মাউন্টেড এয়ার কুলার বলে। ঠিক এসির মতোই কুলারও বাড়ির দেওয়ালে লাগানো যায়।এসি চালালে যেখানে বেশি বিদ্যুতের বিল ওঠে, সেখানেই কুলার চালালে তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এসির মতোই রিমোট দিয়ে এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।কুলারের ক্ষেত্রে একটা ঝামেলা হল, এতে জল ঢালতে হয়। তবে এই মাউন্টেড কুলারে আলাদা করে জল ঢালার প্রয়োজন নেই। একটি পাইপের সাহায্যে বালতি থেকেই সোজা জল টানতে পারে এই কুলার। এতে একটি জলের ট্যাঙ্কও আছে।এখন এসি কিনতে যেখানে কমপক্ষে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানেই ওয়াল মাউন্টেড এয়ার কুলারের দাম শুরু ১২০০০ টাকা থেকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।