বিশ্বকাপের হার ভুলে হাসলেও বিরাটের চোখে কালশিটে নাকে ব্যান্ডেড কিন্তু কেন?

28th November 2023 3:56 pm Country News
বিশ্বকাপের হার ভুলে হাসলেও বিরাটের চোখে কালশিটে নাকে ব্যান্ডেড কিন্তু কেন?


অনেক চেষ্টা করেও বিশ্বকাপ (ICC ODI World Cup 2023) জয় অধরাই রয়ে গিয়েছে। কাপ হাতে নিয়ে ১৯ নভেম্বরের রাতে ভিকট্রি ল্যাপ দেওয়া হয়নি। মুখ টুপি দিয়ে ঢেকে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ছেড়েছিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। সেই রাতে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার পুরস্কার পেলেও, কথা বলতে চাননি।অবশেষে কাপযুদ্ধের আট দিনের মাথায় আবার জনসমক্ষে এলেন টিম ইন্ডিয়ার (Team India) মহাতারকা। কিন্তু একেবারে অন্য মেজাজে। মুখে একগাল হাসি থাকলেও, বিরাটের চোখে কালশিটে! নাকে ব্যান্ডেড! স্বভাবতই সেই ছবি সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।প্রিয় ক্রিকেটারের মুখে হাসি থাকলেও কেন তাঁর চোখে কালশিটে? নাকে ব্যান্ডেড! কপালে আঘাতের চিহ্ন! ডানদিকের গালে কাটার দাগ রয়েছে। এরমধ্যে আবার ভিকট্রি সাইন দেখাচ্ছেন তিনি। বিরাট কি তাহলে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন? নাকি আহত হয়েছেন? নাকি অন্য কিছু? সারা মুখেও দেখা যাচ্ছে আঘাতের চিহ্ন। যদিও নিজের অবস্থা জানিয়ে দিয়েছেন কিং কোহলি।এক গাল হাসির সঙ্গে বাঁ হাত তুলে ভিকট্রি চিহ্নও দেখিয়েছেন। এবং এর পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরির ক্যাপশনে লিখেছেন, 'আপনাদের উচিত অন্য লোকটাকে দেখা।' অনেকে তাঁর এই পোস্টে হতবাক হলেও, বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে, কোনও বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের জন্যই এমনভাবে সেজেছেন তিনি। এক সপ্তাহ আগে শেষ হয়েছে এবারের বিশ্বকাপ। রোহিত শর্মার 'মেন ইন ব্লু' ব্রিগেড আইসিসি ট্রফি জয়ের খরা কাটাতে পারেনি। তবে মেগা ফাইনালের আগে আগ্রাসী ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলে ১০-এ ১০ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। এবং সেই যাত্রার অন্যতম নায়ক ছিলেন বিরাট। ৩৫তম জন্মদিনে 'আইকন' শচীন তেণ্ডুলকরকে ছুঁয়ে করেছিলেন একদিনের ক্রিকেটে ৪৯ তম শতরান। সেই রেকর্ড নিজের নামে করে নেন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের সেই ম্যাচে বিরাট সেরে নেন তাঁর একদিনের ক্রিকেটে সর্বাধিক ৫০তম শতরান।আর তাই বিশ্বজয়ী হতে না পারলেও ১১ ম্যাচে করেছিলেন সর্বাধিক ৭৬৫ রান। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।